ফেসবুকে যারা বিক্রি করেন, তাদের জন্য
ফেসবুক পেজটা থাকুক, পাশে খুলুন নিজের অনলাইন দোকান
ক্রেতা আপনার লিংকে ঢুকে ছবি, দাম আর সাইজ নিজেই দেখে নেন, তারপর নিজেই অর্ডার দেন। টাকা দেন পার্সেল হাতে পেয়ে। আপনার কাজ শুধু প্যাক করে পাঠানো।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল · কোনো অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া
- ল্যাপটপ লাগে না, ফোনেই চলে
- এক লাইন কোডও লিখতে হয় না
- বাংলায় চলে, দাম টাকায়


নতুন অর্ডার এসেছে!
জামদানি শাড়ি × ১ · ৳২,৪৫০
ক্যাশ অন ডেলিভারিযা-ই বিক্রি করেন, দোকান খোলা যায়। যেমন: জামদানি, পাঞ্জাবি, ঘরে বানানো আচার, খাঁটি মধু, জন্মদিনের কেক, রুপার গয়না, কসমেটিকস, বাচ্চাদের খেলনা, পুরনো বই, ইনডোর গাছ, চা পাতা, শুঁটকি, কুর্তি, হাতের কাজ. সাথে যা পাচ্ছেন: ক্যাশ অন ডেলিভারি, নিজের দোকানের লিংক, ডেলিভারি চার্জ নিজে বসে, স্টক নিজে কমে, বাংলা আর ইংরেজি, ফোন থেকেই সব.
ভোর ৭টা
চা ঠান্ডা হচ্ছে, ইনবক্সে প্রশ্ন জমছে
রিমা তিন বছর ধরে ফেসবুকে শাড়ি বেচেন। সকাল সাতটায় ফোন খুললেই সাতাশটা মেসেজ, অর্ধেকই ‘আপু, দাম কত?’। অর্ডার লেখা হয় খাতায়, আর কোনটা পাঠানো হলো সেটা মনে রাখতে হয় নিজেকেই।
- একই প্রশ্নের উত্তর দিনে বিশবার
- কে কী অর্ডার দিল, খুঁজতে হয় মেসেঞ্জারে
- ‘লালটা আছে তো?’ মনে রাখতে হয় নিজের মাথায়
- মাস শেষে খাতার যোগফল মেলে না
পেজের ইনবক্স
উত্তর বাকি ২৭
- আপু, দাম কত?
- সাইজ L আছে?
- ঢাকার বাইরে ডেলিভারি কত?
- লাল রঙেরটা আছে?
- গতকাল অর্ডার দিলাম, কবে পাব?
- আরো ছবি দিবেন?
- ইনবক্স চেক করেন প্লিজ 🙏
- একটু পরে জানাচ্ছি আপু
অর্ডারের খাতা
- নীল জামদানি × ১, মিরপুর
- পাঞ্জাবি L × ২, চট্টগ্রাম?
- ওড়না × ১, টাকা বাকি
সকাল ১০টা
দাম কত? লেখা আছে। সাইজ? সেটাও লেখা।
রিমা ফোনে ছবি তুলে দাম, সাইজ আর স্টক লিখে দিলেন। এখন ক্রেতা লিংকে ঢুকে নিজেই দেখে নেন, পছন্দ হলে নিজেই অর্ডার করেন। ইনবক্সে ‘দাম কত’ আসে আগের চেয়ে অনেক কম।
- ১
অ্যাকাউন্ট খুলুন১ মিনিট
নাম, ফোন নম্বর আর দোকানের একটা নাম। কার্ড লাগে না।
- ২
পণ্য তুলুনকয়েক মিনিট
ফোনে ছবি তুলে দাম আর কয়টা আছে লিখে দিন। রং পরে বদলানো যায়।
- ৩
লিংকটা ছড়িয়ে দিনআজই
পেজের বায়োতে, পোস্টে, মেসেঞ্জারের উত্তরে। এরপর অর্ডার আসবে লিংক দিয়েই।
রিমার শাড়ি ঘর
শাড়ি · পাঞ্জাবি · ওড়না
শাড়ি · পাঞ্জাবি · ওড়না

জামদানি শাড়ি
৳২,৪৫০

সুতি পাঞ্জাবি
৳১,৬৫০

নকশি ওড়না
৳৭২০

রঙিন স্কার্ফ
৳৪৫০
দুপুর ১টা
ভাত খেতে খেতেই তিনটা অর্ডার
ক্রেতা চেকআউটে নাম, ফোন আর ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা ঢাকার ভিতরে না বাইরে, দেখে ডেলিভারি চার্জ নিজেই বসল, মোট টাকাও হিসাব হলো, স্টক থেকে একটা কমল। রিমার হাতে কাজ একটাই: প্যাক করে ‘পাঠানো হয়েছে’ চাপা।
- নতুন
- কনফার্ম
- পাঠানো
- ডেলিভারড
আজকের পার্সেল
নমুনাপৌঁছেছে
৭/৭
হাতে এলো · ক্যাশ অন ডেলিভারি
৳১০,৭৫০
- ঢাকার ভিতরে বাইকে · চার্জ ৳৬০
- ঢাকার বাইরে ভ্যানে · চার্জ ৳১২০
ডেলিভারি চার্জ নিজে বসে
ঢাকার ভিতরে এক রকম, বাইরে আরেক রকম। কত নেবেন, সেটা একবার ঠিক করে দিলেই হলো।
স্টক নিজে থেকে কমে
অর্ডার এলে কমে, বাতিল বা ফেরত হলে আবার ফিরে আসে। ‘আছে তো?’ ভেবে আর খাতা ওল্টাতে হয় না।
ক্যাশ অন ডেলিভারি
ক্রেতা পার্সেল হাতে পেয়ে টাকা দেন। ‘ডেলিভারি সম্পন্ন’ করলেই সেই টাকা হিসাবে উঠে যায়।

বিকেল ৫টা
খাতা না খুলেই জানা গেল, আজ কত বিক্রি
আগে মাসের হিসাব মেলাতে বসলে রাত পেরিয়ে যেত। এখন তারিখ বাছলেই দেখা যায় কত টাকার অর্ডার এলো, কত টাকা হাতে এলো, আর কোন শাড়িটা সবচেয়ে বেশি চলছে।
ডেমো ডেটা- ১
তারিখ বেছে নিন
গত সপ্তাহ, গত মাস বা যেকোনো দুই তারিখের মাঝে। সময় ঢাকা অনুযায়ী।
- ২
বুক করা আর হাতে আসা টাকা
কত টাকার অর্ডার এলো আর ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কত টাকা হাতে এলো, আলাদা করে।
- ৩
দিনে দিনে বিক্রি
কোন দিনে বিক্রি বাড়ে, চার্টে স্পষ্ট। চাইলে টেবিল আকারেও দেখা যায়।
- ৪
সেরা পণ্য আর ভুয়া অর্ডার
কোন পণ্য বেশি চলে, আর কয়টা অর্ডার ভুয়া বা বাতিল হলো।
সন্ধ্যা ৬টা
সন্ধ্যায় দোকানের একটু সাজগোজ
থিম, রং আর ফন্ট বদলে দেখুন, পছন্দ হলে তবেই প্রকাশ করুন। রঙের জোড়াগুলো আমরা আগেই মিলিয়ে রেখেছি, তাই গাঢ় রঙেও লেখা পড়তে চোখে লাগে না।
রাত ১০টা
রিমা ঘুমাচ্ছেন, দোকান জেগে আছে
রাত দুটোতেও অর্ডার আসে। ভুয়া অর্ডার, বদলে দেওয়া দাম আর অন্যের উঁকিঝুঁকি থেকে দোকান বাঁচানোর নিয়মগুলো সার্ভারেই বসানো, তাই রাত জেগে কাউকে পাহারা দিতে হয় না।
ভুয়া অর্ডার আলাদা করুন
ভুয়া চিহ্ন দিলে স্টক ফিরে আসে। সেই অর্ডার মাসের অর্ডার সীমায় আর বিক্রির হিসাবে গোনা হয় না।
এক ক্লিকে ক্রেতা ব্লক
ভুয়া অর্ডারের সাথেই ক্রেতাকে ব্লক করা যায়। সেই নম্বর থেকে আর অর্ডার নেওয়া হয় না।
দাম যাচাই হয় সার্ভারে
ক্রেতার ফোন থেকে আসা দাম বা মোট বিশ্বাস করা হয় না। দাম, স্টক আর মোট সার্ভার নিজে হিসাব করে।
প্রতিটা দোকান আলাদা
আপনার পণ্য, অর্ডার আর ক্রেতার তথ্য শুধু আপনার দোকানের। অন্য কোনো দোকান তা দেখতে পারে না।
কে কী বদলেছে, লেখা থাকে
অর্ডারের প্রতিটা ধাপ কে কখন বদলেছেন, ইতিহাসে থেকে যায়।
বাংলা আর ইংরেজি
ড্যাশবোর্ড আর দোকান দুই ভাষাতেই। দাম টাকায়, সংখ্যা বাংলায়।
পরদিন ভোর
আজ ছোট করে শুরু, কাল আরেকটু বড়
শুরুটা ফ্রি। অর্ডার বাড়লে বড় প্ল্যানে যান; পণ্য, অর্ডার আর ক্রেতার তালিকা যেমন ছিল তেমনই থাকে।
শুরুর আগে সবাই যা জানতে চান
দোকান খুলতে কি কোডিং বা ওয়েবসাইটের জ্ঞান লাগবে?
একদমই না। ফেসবুক চালাতে পারলেই হাটবাজার চালাতে পারবেন। প্রতিটি ধাপ বাংলায় বুঝিয়ে বলা আছে।
শুরু করতে কি টাকা বা কার্ড লাগবে?
না। ফ্রি ট্রায়ালে কোনো কার্ড লাগে না। ভালো লাগলে পরে প্ল্যান নিন।
ক্রেতারা কীভাবে টাকা দেবেন?
ক্রেতারা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার দেন, অর্থাৎ পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেন।
নিজের ডোমেইন (.com) ব্যবহার করা যাবে?
নির্দিষ্ট প্ল্যানে নিজের ডোমেইন যুক্ত করার সুবিধা শীঘ্রই আসছে। কোন প্ল্যানে থাকবে, দামের পাতায় দেখুন।
পরে কি প্ল্যান বদলানো যাবে?
যেকোনো সময় আপগ্রেড করতে পারবেন। আপনার পণ্য, অর্ডার আর ক্রেতার তথ্য সব থেকে যাবে।
পণ্য বা অর্ডারের সীমা শেষ হলে কী হবে?
সীমার কাছাকাছি এলেই ড্যাশবোর্ডে জানিয়ে দেওয়া হয়। আপগ্রেড করলেই আরও যোগ করতে পারবেন, পুরনো তথ্য হারাবে না।

আজই বসান আপনার নিজের অনলাইন হাট
কয়েক মিনিটেই দোকান চালু করুন, আর প্রথম অর্ডারটা নিন আজই।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল · কোনো অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া